তফসিল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে সহিংসতা: অবাধ নির্বাচন নিয়ে গভীর উদ্বেগ

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর দেশজুড়ে সহিংসতা ও অস্থিরতার খবর পাওয়া গেছে, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিরাপত্তা জোরদারের জন্য অতিরিক্ত পুলিশি সুরক্ষার আবেদন করেছে।
মূল ঘটনা ও উদ্বেগ:
সহিংসতার ঘটনা: তফসিল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদীকে গুলি করা হয়। তিনি বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া, লক্ষ্মীপুর ও পিরোজপুরে নির্বাচন কমিশনের দুটি কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল এই হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ঘটনাগুলিকে "পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড" হিসেবে অভিহিত করেছেন।
নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা: রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার এবং কর্মকর্তাদের জন্য সার্বক্ষণিক অতিরিক্ত নিরাপত্তা চেয়েছে।
অবাধ নির্বাচনের সম্ভাবনা: এই ধরনের সহিংসতা নির্বাচনের পরিবেশকে কলুষিত করছে এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনাগুলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের পথে অশনিসংকেত।
সার্বিক পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, তফসিল ঘোষণার পর সৃষ্ট সহিংসতা আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং নির্বাচন কমিশনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদক
News Desk





