তামিমের রেকর্ড সেঞ্চুরির পর বোলারদের তোপ, চট্টগ্রামকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

দীর্ঘ ৬ বছরের অপেক্ষার অবসান। ২০২০ সালে আন্দ্রে রাসেলের হাত ধরে যে শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল রাজশাহী, আজ নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে সেই গৌরব আবারও পুনরুদ্ধার করল তারা। তানজিদ হাসান তামিমের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি এবং বোলারদের আগুনে পারফরম্যান্সে বিপিএলের ১২তম আসরের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ তামিমের রেকর্ড গড়া শতকে ভর করে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী। জবাবে রাজশাহীর বোলারদের তোপের মুখে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।
তামিমের ব্যাটে রানের পাহাড়
ফাইনালে রাজশাহীর জয়ের মূল নায়ক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। পাকিস্তানি ওপেনার শাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে ১০.২ ওভারে ৮৩ রানের দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন তিনি। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে ফিরলেও, এক প্রান্ত আগলে রেখে তাণ্ডব চালাতে থাকেন তানজিদ।
মাত্র ২৯ বলে ৬টি ছক্কায় ফিফটি পূরণ করেন।
পরের ৩১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে বিপিএল ফাইনালে ইতিহাস গড়েন। এটি বিপিএলে তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।
তানজিদ শেষ পর্যন্ত ১০০ রান করে আউট হন। এছাড়া কেন উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান এবং শান্ত ৭ বলে ১১ রান করেন।
বিনু ফার্নান্দোর বোলিং তোপ
১৭৫ রানের বড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম। রাজশাহীর লংকান পেসার বিনু ফার্নান্দো এবং স্পিনার হাসান মুরাদের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি চট্টগ্রামের ব্যাটাররা।
বোলার | পারফরম্যান্স |
|---|---|
বিনু ফার্নান্দো | ৩ ওভারে ৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট। |
হাসান মুরাদ | ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট। |
জেমস নিশাম | ২ উইকেট। |
হতাশায় ডুবল চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের হয়ে পাকিস্তানি ওপেনার মিরাজ বেগ সর্বোচ্চ ৩9 রান এবং আসিফ আলি ২১ রান করেন। দলের ৭ জন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরই স্পর্শ করতে পারেননি। ফলে ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। এ নিয়ে তৃতীয়বার ফাইনালে উঠেও শিরোপা ছোঁয়া হলো না চট্টগ্রামের।
প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক, মিরপুর





